বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেছেন, এবার কোরবানির জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পশু রয়েছে। তাই বাইরে থেকে পশু আনার কোনও প্রয়োজন হবে না। বৃহস্পতিবার (২৬ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার সভাকক্ষে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের তৃতীয় ও শেষ দিনের তৃতীয় অধিবেশনে প্রাণিসম্পদমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব শফিউল আলম।
প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘মানসম্মত সুস্থ পশু কোরবানি দেওয়ার জন্য সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। কোনও ধরনের স্বাস্থ্যহানিকর ওষুধ বা কোনও অসুস্থ পশু যেন হাটবাজারে উঠতে না পারে, সে বিষয়টি দেখার জন্য ডিসিদের বলা হয়েছে। এছাড়া, কোরবানির হাটে যে পশুগুলো উঠে, সেগুলোকে মোটাতাজা করতে ব্যবসায়ীরা যেন কোনও ক্ষতিকারক ওষুধ প্রয়োগ করতে না পারে, সেদিকে দৃষ্টি রাখতে বলা হয়েছে।’
মাছ ধরা বন্ধ থাকার সময়ে সরকার থেকে ত্রাণ হিসেবে জেলেদের প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও সব জেলেরা তা পাচ্ছেন না। তাই সরকারি সহায়তার পরিমাণ বাড়ানো ও ত্রাণ বিতরণ পদ্ধতি সংশোধনের জন্য মন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করেছেন ডিসিরা।
এ বিষয়ে প্রাণিসস্পদমন্ত্রী বলেন, ‘ডিসিদের এই দুটি পরামর্শ আমরা গ্রহণ করেছি। যেহেতু সরকারের এই সহায়তা ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ দেওয়া হয়, তাই আমি ডিসিদের কথা দিয়েছি— বিষয়টি নিয়ে ত্রাণমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবো। নিশ্চয়ই ত্রাণ মন্ত্রণালয় বিষয়টি শুনে সুরাহা করবে।’
আমাদের হ্যাচারিগুলো মানসম্মত চিংড়ি পোনা উৎপাদন করতে পারছে না। এই সুযোগে ভারতীয় পোনা বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। এতে ভাইরাসের আক্রমণ হচ্ছে, যার কারণে কৃষকরা সর্বস্বান্ত হয়ে যাচ্ছে। ডিসি সম্মেলনে এ বিষয়টি উত্থাপন করেন খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার ডিসিরা।
এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি যেন আমাদের হ্যাচারিগুলো মানসম্মত পোনা উৎপাদন করতে পারে। ডিসিদের বলেছি, যত দ্রুত সম্ভব বিষয়টি আমরা নিয়ন্ত্রণে আনবো।