বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।

সরকারি হাসপাতালের সরঞ্জমাদি দিয়ে চলছে মা ক্লিনিক প্রতিনিয়ত বাড়ছে শিশু মৃত্যু হার

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধাঃ  গাইবান্ধা পলাশবাড়ী উপজেলা সদরে অবস্থিত মা ক্লিনিক এন্ড নার্সিং হোমের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম-ব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। ফলে প্রতিনিয়তই বাড়ছে মা ও শিশু মৃত্যুর হার।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, পলাশবাড়ী হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স ফাতেমা বেগম তার নিজস্ব বাসায় ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মা ক্লিনিক এন্ড নার্সিং হোম নামে একটি রেজিষ্ট্রিশন বিহীন বে-সরকারি ক্লিনিক গড়ে তোলে। নিজস্ব ডাক্তার, প্রশিক্ষিত স্টাফ নার্স না থাকার কারণে প্রতিনিয়তই এই নার্সিং হোমে ঘটছে একের পর এক মৃত্যুর ঘটনা।

 গত ১ বছরে এখানে সন্তান জন্ম দিতে এসে প্রাণ হারিয়েছেন অসংখ্যক মা ও শিশু। শুধুমাত্র ১০টি বেড, অপারেশন থিয়েটার ছাড়া স্বাস্থ্য সম্মত চিকিৎসা সেবা প্রদান করার মত প্রয়োজনীয় কোন যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জমাদি নেই। সিনিয়র স্টাফ নার্স হাসপাতালের সরকারি ভাবে বরাদ্দকৃত অপারেশনের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ওষুধপত্র ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ডাক্তার দিয়েই চলে অপারেশনসহ ক্লিনিকের সার্বিক কার্যক্রম। হাসপাতালে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করা কালে তিনি হাসপাতাল ও এর আশপাশ এলাকায় একটি চিহ্নিত দালালচক্র তৈরি করেছে।

 হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ডেলিভারী রোগীদের আসলেই ফুসলিয়ে-ফাসলিয়ে দালালচক্রের মাধ্যমে তার ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। অপারেশনের দায়িত্বে থাকেন হাসপাতালের টিএইচও ডাঃ ওয়াজেদ আলী। এখানে যেন রকক্ষরাই-ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ!

ক্লিনিক ম্যানেজার মোহাম্মদ আলী জানান, নার্সিং হোমটির রেজিষ্ট্রেশন না থাকলেও উদ্বোধনের পর হতে ১ বছরে এ পর্যন্ত ২৮৭০ জনকে গর্ভবর্তী মহিলার নরমল ও ৫৫৪ জনকে অপারেশনের মাধ্যমে ডেলিভারী করানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে পলাশবাড়ী হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স ফাতেমা বেগমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে জানান।

নার্সিং হোমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিনিয়র স্টাফ নার্স ফাতেমা বেগমের বড় ভাই এনামুল কবির হায়দারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নার্সিং হোমের রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মা-শিশু মৃত্যুর ঘটনা জানাতে চাইলে তিনি কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ ওয়াজেদ আলীর সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিফ করেননি।

জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুস শাকুর-এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ছবি ০১

 

মাদক ব্যাবসায়ী ও গাজার গাছ আটক

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এর নেতৃত্বে মাদক বিরোধী সাড়াশি অভিযানের দিকনির্দেশনায়, সুন্দরগঞ্জ থানার তারাপুর চর খোর্দ্দা থেকে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মোঃ জাফর ওরফে আবু জাফর, পিতা- মোঃ মজিবর রহমান (৩৫) কে ১২ কেজি গাঁজার গাছ সহ হাতে নাতে আটক করে সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ।ছবি ০২

 

চরাঞ্চলের মানুষের নিরাপত্তা দিতে জনগনের পাশাপাশি প্রস্তুত আছে পুলিশ

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধা জেলার নদী গর্ভে চরাঞ্চলের মানুষের উৎপাদিত সম্পদের মালিক এ অঞ্চলের মানুষ। এঅঞ্চলের মানুষের সম্পদ জানমালের নিরাপত্তা প্রদানে জনগনের পাশাপাশি সর্বদা প্রস্তুত আছে পুলিশ। দূর্বৃত্তরা যতশক্তিশালী হোক তাদের দমন করতে জেলা পুলিশ জনগনের পাশে ছিলো আছে এবং আগামীতেও থাকবে বলে জানান জেলা পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান মিয়া।

সদর থানা পুলিশের আয়োজনে শনিবার গাইবান্ধা সদর উপজেলার মোল্লাচর ইউনিয়নের মোল্লাচর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই মন্ডল বিএসসি বিএড এর সভাপতিত্বে ওপেন হাউজ ডে ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা পুলিশ সুপার উপরোক্ত কথা বলেন।

বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মইনুল হাসান,সদর থানা অফিসার ইনচার্জ খান মোঃ শাহরিয়ার, কামারজানি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন, এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল ইসলাম।

আরো বক্তব্য রাখেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান,পল্লী চিকিৎসক ডাঃ ফিরোজ কবির,সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য হামিদা বেগম,ইউপি সদস্য আবু সুফিয়ান,ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি আব্দুল জলিল, নুর হোসেন আজিজুদৌলা প্রমুখ।

সমগ্র অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান মোজ্জাম্মেল হক।

নিউজটি শেয়ার করুন

All rights reserved © meghnapost.com