বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ন
বগুড়া ডিবি পুলিশ ও পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ইনটেলিজেন্স শাখার যৌথ অভিযানে চার শীর্ষ জঙ্গি নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার (২৯ জুলাই) রাতে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। সোমবার (৩০ জুলাই) দুপুরে বগুড়া জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) আলী আশরাফ ভূঁইয়া তার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
গ্রেফতার জঙ্গিরা হলো, রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার কুড়িবিশ্বা দোলাপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে এবং জেএমবির রংপুর জেলার দাওয়াহ বিভাগের প্রধান আজহারুল ইসলাম ওয়ানুর (৩২), চর বাগডহড়া গ্রামের নৈয়ব আলীর ছেলে এবং গঙ্গাচড়া থানার দাওয়াহ বিভাগের প্রধান আকরামুজ্জামান মুকুল (২৬), একই গ্রামের মোমিন আলীর ছেলে এবং রংপুর জেলার ইছাবা (সামরিক) সদস্য ফারুক ওরফে সাজু (২২) এবং আবদুস সামাদের ছেলে এবং রংপুর জেলার ইছাবা (সামরিক) সদস্য আবদুল হাকিম মিলন (৩৪)।
এসপি সংবাদ সম্মেলনে জানান, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ইনটেলিজেন্স শাখা ও বগুড়া ডিবি পুলিশ যৌথভাবে রংপুর ও লালমনিরহাট জেলা পুলিশের সহায়তায় রবিবার রাতে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার দুর্গম চর বাগডহড়ায় এক জেএমবি সদস্যের বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করে। এ সময় ৫ শীর্ষ জঙ্গি পালিয়ে গেছে। এদের কাছে একটি একে পয়েন্ট ২২ বোর রাইফেল, রাইফেলের ১৫ রাউন্ড গুলি, একটি ম্যাগজিন, দুটি বিদেশী পিস্তল, তিনটি ম্যাগজিন, দুটি বার্মিজ চাকু ও নগদ ৫৫ হাজার টাকা পাওয়া গেছে। জঙ্গিরা এক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে হত্যা ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বড় ধরনের কোনও নাশকতার পরিকল্পনা করছিল। জঙ্গিদের অস্ত্রসহ রংপুরের গঙ্গাচড়া থানায় সোপর্দ ও মামলার প্রস্তুতি চলছে। পলাতক জঙ্গিদের গ্রেফতার ও আরো অস্ত্রের সন্ধান পেতে এদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া
তিনি আরও বলেন, ‘জঙ্গি গ্রেফতারে কোনও সীমানা নির্ধারণ করা নেই। তাই বগুড়া পুলিশ আগের মত জঙ্গি দমনে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জেএমবির জঙ্গিরা রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলার তিস্তা নদীর দূর্গম চর বাগডহড়ায় সাংগঠনিক তৎপরতা শুরু করে। মানুষের যাতায়াত কম ও লুকিয়ে থাকা সহজ হওয়ায় গত বছরের মাঝামাঝি তারা ওই চরে অবস্থান নেয়। বিষয়টি জানতে পেরে বগুড়া পুলিশ তাদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। ’