বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে শিক্ষক কর্তৃক ১০ শ্রেণির ছাত্রিকে বিয়ের প্রলোভন দেখাইয়া অবৈধ মেলামেশার ঘটনায় থানায় অভিযোগ দাখিল। ডাক্তারের সার্টিফিকেট নিয়ে জনমনে প্রশ্ন।
সরেজমিনে জানা যায়, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ৭ নং পবনাপুর ইউনিয়নের পবনাপুর উত্তরপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ভাই সহকারী শিক্ষক শাহ মো. আবু শাহীন পাশের্^র বাড়ির পবনাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেণির ছাত্রির সাথে বিয়ের প্রলোভন দেখাইয়া প্রায় ৪ বৎসর পূর্ব থেকে অবৈধ মেলামেশা করে আসছিল। ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে কয়েক দফা শালিস বৈঠক হলেও শিক্ষক পরিবার ব্যক্তি প্রভাব খাটাইয়া নানা কৌশলে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। এর মধ্যে গত ১৩ আগষ্ট রাত ১১টার সময় উক্ত ছাত্রির সঙ্গে অবৈধ মেলামেশার সময় ছাত্রির অভিভাবক ঘটনাটি দেখে ফেলে।
বিয়টি এলাকাবাসী জানাজানি হলে উক্ত শিক্ষক বিয়ে না করে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ঘটনার দিন থেকেই গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। উক্ত শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের ভাই হওয়ায় বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হলেও সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাথে যোগসাজোসে বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহের প্রচেষ্ট চালিয়ে যাচ্ছে। নিরুপায় হয়ে ভিকটিমের পরিবারের পক্ষ থেকে গত ৯ সেপ্টেম্বর পলাশবাড়ী থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেছে। অপরদিকে গাইবান্ধা ডিবি রোড সংলগ্ন পলি ক্লিনিকের ডাক্তার ভজন কুমার এর কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে জরের কথা বলে এক মাসে রেস্টে থাকার সার্টিফিকেট গ্রহণ করেন। উক্ত সার্টিফিকেট উপজেলা শিক্ষা অফিসে এক মাস ছুটির দরখাস্ত করে সে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। তবে উক্ত ডাক্তার ভজন কুমার এর সাথে সার্টিফিকেট এর ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানায়, তার জর হয়েছে তাই সার্টিফিকেট আমি দিয়েছি। এলাকাবাসী জানায়, সে অবৈধ মেলামেশার ঘটনাকে ভিন্ন প্রবাহিত করার লক্ষ্যে সে সুস্থ্য মানুষই সার্টিফিকেট নিয়ে ছুটির দরখাস্ত করে গা ঢাকা
দিয়েছে। তিনি বিদ্যালয়ে টানা অনুপস্থিত থাকায় বিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে।