বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫০ অপরাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।

গাবতলী সুবোধ বাজারে জমে উঠেছে কাঁচা মরিচের বেচা-কেনা কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি মরিচ ক্রয় করছে ব্যবসায়ীরা

গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ-বগুড়ার গাবতলী সুবোধ বাজারে পুরোদমে শুরু হয়েছে কাঁচা মরিচ বেচা-কেনা। মরিচের ভাল দাম পওয়ায় কৃষক এবং টোল কম থাকায় ব্যবসায়ীরা ভীষন খুশি। জানাগেছে ১৯৮৬ সালে বালিয়াদীঘি ইউনিয়নের কলাকোপা গ্রামের পুর্বপার্শ্বে সুবোধ বাজার নামে এই বাজার টি প্রতিষ্ঠিত হয়। সু-নামের সাথে কাঁচা মরিচ বেচা-কেনা হয়ে আসছে। কোন ঝামেলা, বারতি টোল আদায় না থাকায় দুরের ব্যবসায়ীরা সপ্তাহে ৫ দিন এই সুবোধ বাজারে কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি মরিচ ক্রয় করতে পারেন। ব্যবসায়ী আব্দুল গফুর জানান আমিসহ ১৬ জনমিলে দীর্ঘদিন ধরে এই সুবোধ বাজারে প্রতিহাটে ১ ট্রাক তিন শতমন কাঁচা মরিচ ক্রয়করে চট্টগ্রামে পাঠাই। এখানে কোন অতিরিক্ত টোল দিতে হয়না, বাড়তি ঝামেলা নেই, থাকা খাওয়ার সু-ব্যবস্থা থাকার আমরা স্বচ্ছন্দ বোধ করি। সাবগ্রামের ব্যাবসায়ী আঃ সোবাহান ও শাজাহানপুর সুজাবাদ, সারিয়াকান্দি থেকে আসা ব্যবসায়ী রা জানান, এখানে কৃষকের কাছ থেকে টাটকা মরিচ কমদামে পাওয়া যায়। ফলে ব্যবসায় বেশী মুনাফা হওয়ায় প্রায়

১০ বছর ধরে এই বাজারে মরিচ ক্রয় করতে আসি। ব্যবসায়ীরা সুবোধ বাজারে মরিচ কিনে উত্তর বঙ্গ পেরিয়ে ঢাকা, ফেনি, চট্রগ্রাম পৌঁছেদেন । সুবোধ বাজারে মরিচ বিক্রি করতে আসা কুষক শাজাহান আলী, হাতেম আলী, খলিলুর রহমান, আঃ বাছেদ, জলিলসহ একাধিক কৃষক জানান, সুবোধ বাজারে মরিচ বিক্রি করতে আসলে বিক্রেতাকে কোন টোল দিতে হয়না, ব্যবসায়ীরা মাপে কারচুপি করে না দাম ভাল পাওয়া যায়-কোন সমস্যায় পড়তে হয়না। সে জন্য সুবোধ বাজারে মরিচ বিক্রি করে আমরা নিরাপদে বাড়ী ফিরতে পারি। এই সুবোধ বাজারে বগুড়া সদর, শাজাহানপুর, ধুনট, সারিয়াকান্দিসহ বিভিন্ন এলাকার কৃষক কাচাঁ মরিচ বিক্রি করতে আসে। প্রতিদিন প্রায় ২ থেকে আড়াই হাজার মন কাঁচা মরিচ বিক্রি করে বিভিন্ন প্রকার কৃষক। এলাকার আব্দুল জলিল ও আঃ গফুর জানান পুরোদমে মরিচ বিক্রি শুরুহলে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ ট্রাক মরিচ ক্রয় করে দুরের ব্যবসায়ীগন। সুবোধ বাজারের পরিচালক খাদেমুল ইসলাম সবুজ জানান, এই বাজারে শুধু ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বস্তা প্রতি টোল আদায় করাহয়। বিক্রেতা কৃষকের কাছ থেকে কোন প্রকার টোল-খাজনা নেয়া হয়না। ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হয়ে থাকে। এই বাজার টি সরকারী তালিকাভুক্ত থাকায় স্থানীয় প্রশাসনের বিশেষ নজর রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

All rights reserved © meghnapost.com