বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন
বগুড়ার ধুনট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদের বিরুদ্ধে পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ন আহবায়ক সাবেক কাউন্সিলর আল আমিন তরফদারকে লাঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। মঙ্গলবার দুপুরে ধুনট মডেল প্রেসক্লাবে লিখিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন আওয়ামীলীগ নেতা আল-আমিন তরফদার।
লিখিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, চিকাশী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-প্রচার সম্পাদক আমার ভায়রা ঈমান আলীর সাথে প্রতিবেশি ঘুতু মিয়ার পূর্ব বিরোধ রয়েছে। সেই ঘুতু মিয়ার পক্ষে আমার ভায়রা ঈমান আলীকে মারধর করার জন্য স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সুলতান মাহমুদ ২০ হাজার টাকায় চুক্তিবদ্ধ হয়। গত ১২ অক্টোবর বিষয়টি জানার পর ঘুতু মিয়াকে গ্রামে শালিশে মেটানোর কথা বললে সে সুলতানকে ফোন করে ডেকে আনে। পরে সুলতান এসেই ধুনট বাজারে প্রকাশ্যে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালির একপর্যায়ে কিল, ঘুষি ও চড় থাপ্পর মারে। এঘটনায় ১৩ অক্টোবর আমি ধুনট উপজেলা আওয়ামীলীগের সুপারিশ সহকারে বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি-সাধারন সম্পাদক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। কিন্তু এপর্যন্তু তার বিরুদ্ধে কোন সাংগঠনিক ব্যবস্থা না নেওয়ায় সে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েই আসছে।
তবে আওয়ামীলীগ নেতা আল-আমিনকে মারধররের বিষয়টি অস্বীকার করে সুলতান মাহমুদ বলেন, আল আমিন তরফদার আমার কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা ধার নেয়। কিন্তু দীর্ঘদিনেও সে টাকা দেওয়ায় তার সাথে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। এছাড়া কাউকে মারধরের জন্য কারো কাছ থেকে কোন টাকা নেওয়া হয়নি।
এবিষয়ে ধুনট উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল হাই খোকন বলেছেন, ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে দুই জনের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। বিষয়টি দলীয়ভাবে মিমাংসা করে দেওয়া হবে।