বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৫ অপরাহ্ন
মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ গত ২৪ ঘন্টায় নওগাঁর মহাদেবপুরে ২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শণাক্ত হয়েছে। জেলা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানায়, উপজেলা সদরের পূর্ব দুলাল পাড়ার আনোয়ার হোসেনের মেয়ে আশা (২৪) ও সিদ্দিকপুর গ্রামের সুবোধের পুত্র সুজিত (২৫) এর শরীরে করোনা ভাইরাস শণাক্ত হয়েছে।
বুধবার ২৯ এপ্রিল দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান মিলন জানান, মহাদেবপুরে আক্রান্ত দুজনের মধ্যে একজন পুরুষ অপরজন নারী। তারা দুজনেই ঢাকা থেকে এসেছে। করোনায় আক্রান্ত দুজনের বাড়িসহ আশেপাশের মোট ৬টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। এছাড়াও তাদের দুই পরিবারের মোট ৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। করোনা আক্রান্ত সুজিত আজ মহাদেবপুর বাসষ্ট্যান্ডের একটি সেলুনে চুল কাটায় ওই সেলুন লকডাউন করা হয়েছে। সেলুনে কর্মরত ৪জন নরসুন্দরসহ মোট ১২ জনকে বাধ্যতামুলক হোম কোয়ারান্টাইন করা হয়েছে। মহাদেবপুরে প্রথম করোনা শণাক্ত হওয়ায় এলাকার মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নওগাঁয় আজ ২ জন স্বাস্থ্যকর্মীসহ ১৬ জনের শরীরে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এ পর্যন্ত জেলায় মোট ১৭ জন শনাক্ত হয়েছে।
নওগাঁয় ৩ স্বাস্থ্যকর্মীসহ ১৭ জন করোনায় আক্রান্ত
মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ গত ২৪ ঘন্টায় নওগাঁয় ৩ স্বাস্থ্যকর্মীসহ ১৬ জনের শরীরে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এ পর্যন্ত জেলায় মোট ১৭ জন শনাক্ত হয়েছে। বুধবার ২৯ এপ্রিল সকালে নওগাঁর সিভিল সার্জন ডা. আ খ ম আখতারুজ্জামান আলাল এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান যে, সাপাহারে ৩ জন, পোরশায় ১ জন, মহাদেবপুরে ২ জন, মান্দায় ২ জন, আত্রাইয়ে ৩ জন এবং রানীনগরে দুই জন নার্স ও একজন অ্যাম্বুলেন্স চালকসহ ৬ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। সিভিল সার্জন ডা. আ খ ম আখতারুজ্জামান আলাল আরো জানান, এ পর্যন্ত নওগাঁ থেকে মোট ৭৮৩ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে পাঠানো হয়েছিলো। এর মধ্যে ৫১৫ জনের পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া গেছে। এই ৫১৫ জনের মধ্য থেকে ১৭ জনের ফলাফল পজেটিভ। বাকি ৪৯৮ জনের ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। “শনাক্তরা বেশীরভাগই ঢাকা থেকে ফেরত। ঢাকা থেকে আসার পর তাদের জ্বর দেখা দিলেও করোনাভাইরাসের তেমন কোন লক্ষণ ছিল না।” জেলায় এখন ১০৬২ জন হোম কোয়ারেন্টিনে ও ৩৭ জন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রয়েছে। এছাড়া জেলায় মোট ৪ হাজার ৪৭৩ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়, এদের মধ্যে ৩ হাজার ৪১৪ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন বলে জানান ডা. আ খ ম আখতারুজ্জামান আলাল।