বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।

নওগাঁর সীমান্তে ১৪ বিজিবি কর্তৃক ৫৭৬ পরিবারে মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ নওগাঁর ধামইরহাটে ১৪ বিজিবি’র উদ্যোগে সীমান্তবর্তী বিওপিসমূহের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মোট ৫৭৬ জন অসহায়, গরীব, বিধবা, অতিবয়স্ক, প্রতিবন্ধী ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের পক্ষ হতে প্রাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এ সময় সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে ধামইরহাট সীমান্তের কালুপাড়া, চকচন্ডি, খঞ্জনপুর ও শীতলমাঠ বিওপির আওতাভুক্ত ৫৭৬ পরিবারের প্রত্যেক পরিবারের মাঝে ৬ কেজি চাল, ২ কেজি আটা, ১ কেজি ডাল, আধাকেজি সয়াবিন তৈল, ২৫০ গ্রাম সুজি, ১ প্যাকেট বিস্কুট ও আধাকেজি লবন বিতরণ করেন পত্নীতলা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল এস এম নাদিম আরেফিন সুমন, পিএসসি, জি। এ সময় ১৪ বিজিবি’র উপ অধিনায়ক মেজর এ এস এম রবিউল হাসান ও কোম্পানী কমান্ডারগণ উপস্থিত ছিলেন।

পত্নীতলা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল এস এম নাদিম আরেফিন সুমন, পিএসসি, জি জানান, বিজিবি সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী, সীমান্তরক্ষায় আমরা কাজ করে যাচ্ছি, বর্তমান করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি খাদ্য সংকটে পড়া সীমান্তবর্তী অসহায়দের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছি, ভবিষ্যতেও এ ধরনের ত্রাণ সহায়তা প্রদান অব্যাহত থাকবে।

 

কালবৈশাখী ঝড়ে প্রাণ গেল গৃহবধুর গাভী-বাছুরের, ২০৫ হেক্টর জমির ধান মাটিতে

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ নওগাঁর ধামইরহাটে কালবৈশাখী ঝড়ে ২০৫ হেক্টর জমির ধান মাটিতে নুইয়ে গেছে, সেই সাথে বজ্রপাতের প্রভাব ও ঝড়ের কবলে পড়ে গৃহবধুর গাভীন গরু ও বাছুর তাৎক্ষনিক ভাবে মারা যাওয়ায় গৃহবধু আসমা খাতুনের স্বপ্ন ধুলিস্মাৎ হয়েছে। গাছপালা ভেঙ্গে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

জানা গেছে, ৫ মে দুপুরের দিকে আকস্মিক ভাবে আকাশের কালো মেঘ পুরো এলাকায় নিয়ে আসে রাতের আধার। এই সময়ে বজ্র ও প্রবল কালবৈশাখী ঝড় বৃষ্টিপাতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের জিরা ধান মাটিতে শুয়ে পড়েছে, ক্ষতি হয়েছে ভুট্টা ক্ষেতেরও।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সেলিম রেজা বলেন, ঝড়ের প্রভাবে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের তথ্যানুযায়ী আমরা জেনেছি, ধামইরহাটে প্রায় ২শত ৫ হেক্টর জিরা ধান ও প্রায় ২০ বিঘা জমির ভুট্টার ঝড়ে মাটিতে পড়ে গেছে।

এদিকে উপজেলার নানাইচ গ্রামের পেপার বিক্রেতা জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী আসমা খাতুন জানান, বুধবার দুপুরে আকাশে বজ্রপাতের বিকট শব্দ ও ঝড়ের কবলে পড়ে বিকেলেই গরুটি বাছুরসহ দৌড়ে বাড়ীতে আসে এবং ছটফট করতে থাকে, তার কিছুক্ষনের মধ্যেই গরু ও ১ বছর বয়সী বাছুরটি মারা যায় বলে গৃহবধু আসমা খাতুন জানান। মৃত গরুটিও গর্ভবতী ছিল এবং তার পেটে ৪ মাসের বাচ্চাও ছিল। পরিবারের একটি মাত্র গাভী-বাছুর হারিয়ে গৃহবধু আসমা খাতুনের স্বপ্ন প্রায় বিলিন হওয়ার উপক্রম।

নিউজটি শেয়ার করুন

All rights reserved © meghnapost.com