বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার
হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা গ্রামের সাধারণ রোগীরা দালালের খপ্পরে পরে চলে যাচ্ছে বেসরকারি ক্লিনিকে।
বুধবার দুপুরে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেইন গেটের পূর্ব পাশে গড়ে ওঠা গ্রীন হেলথ মেডিকেল সেন্টারের রিসেপশনে পাশে বসে আছে কয়েকজন রোগী।
চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা জানান, আমরা সরকারি হাসপাতালে গেলে হাসাপাতালে কর্মচারী জসিম উদ্দিন আমাদের এখানে নিয়ে আসেন , বলেছে এখানে ভালো ডাক্তার আছে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বের হলেই চোখে পড়বে চাকচিক্যের মোড়কে ঢাকা বেসরকারি ক্লিনিক গুলোর সাইনবোর্ড। সরকারি হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগীদের দিকে দৃষ্টি থাকে ওই বেসরকারি ক্লিনিক গুলোর । এজন্য নিয়োগ করা হয়েছে দালাল। রোগী ধরার ফাঁদ পেতে বসে থাকে দালালরা। ওই এলাকার বেসরকারি ক্লিনিকের নিজস্ব মার্কেটিং প্রতিনিধি আছে যারা বেতন হিসেবে আবার কমিশন হিসেবে কাজ করেন। দালাল চক্র সকাল থেকেই সরকারি হাসপাতালে শুরু করে জটলা। চলে দুপুর পর্যন্ত দালালরা রোগী ভাগানোর প্রতিনিধি নামে পরিচিত। রীতিমতো প্রতিযোগিতা শুরু করে তারা। দেয় লোভনীয় অফার। হাসপাতালে ভর্তি করার পর শুরু হয় অন্য রকম হালচাল। টাকা আদায়ের যত কলাকৌশল, চিকিৎসার বালাই নেই। উল্টো আদায় করা হয় বিভিন্ন অজুহাতে বড় অঙ্কের টাকা।
হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজন নারী রোগীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মচারী জসিম উদ্দিন নিয়ে এসেছেন।
বিধি অনুযায়ী সরকারি হাসপাতাল থেকে এক কিলোমিটার বা বিশেষ ক্ষেত্রে আধা কিলোমিটারের মধ্যে কোনো বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপনের সুযোগ নেই।
তার কোনো তোয়াক্কা না করে সরকারি হাসপাতালের পাশে গড়ে তোলা হয়েছে একাধিক বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
এবিষয়ে জসিম উদ্দিন বলেন, তারা আমার আত্মীয় এজন্য এখানে এনেছি।
এ বিষয়ে গ্রীন হেলথ মেডিকেল সেন্টারের কর্তৃপক্ষ জানান, রোগীরা আমাদের কাছে আসে, আমরা জোর করে আনি না, আমাদের এখানে এখনো সংস্কার কাজ চলছে।
এ বিষয়ে হাজিগঞ্জ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আহমেদ তানভীর হাসান জানান, আমি এসেছি আট দিন হয়েছে, আমি পর্যায়ক্রমে এগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিব