বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন
স্টাপ রিপোর্ট:
হাজীগঞ্জে ৫নং সদর ইউনিয়নের অলীপুর বেপারি বাড়িতে ১০লক্ষ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় অসহায় পরিবারকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে সেনা সদস্য রুবেল গং এর বিরুদ্ধে
উক্ত বিষয়ে ভুক্তভোগী লোকমান হোসেন বাদী হয়ে গত ২৭ ডিসেম্বর শুক্রবার হাজীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, হাজিগঞ্জ পাঁচ নং সদর ইউনিয়নের ওলিপুর ব্যাপারী বাড়ির বাসিন্দা লোকমান হোসেনের ছেলে গত তিন মাস আগে চাঁদপুর সদর থানা দিন লদগাও গ্রামের কাকিরা আক্তারের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। সাকীরা আক্তার নাবালিকা হওয়ায় তার পরিবার থানায় অভিযোগ করেলে দরবার সালিশি ও পুলিশের মাধ্যমে এটি সমাধান করা হয়।
এই সমাধানের বিরোধিতা করে ওলিপুর বেপারী বাড়ির সিদ্দিক ব্যাপারী ছেলে সেনা সদস্য রুবেল গং
লোকমানের কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে, উক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে শুক্রবার দুপুর ১২ টার দিকে সেনা সদস্য রুবেল, রাসেল, ইলিয়াস খোকন, নাজির ওলিপুর বেপারি বাড়ির সামনে লোকমান হোসেন ও তার ছেলে মারুফ ইসলামের উপর অতর্কিত হামলা চালায় এ সময় লোকমান হোসেন ও তার ছেলেকে লাঠি রড দিয়ে এলোপাতারি ,আঘাত করে তাদের মারাত্মকভাবে আহত করে , স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভর্তি করে।
এ বিষয়ে লোকমান হোসেন জানান, আমার ছেলের ঝামেলা নিয়ে আমরা এটি থানায় সমাধান করেছি, কিন্তু সেনা সদস্য রুবেল প্রতিনিয়ত আমাদের কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা চেযে আসছিলো, টাকা দিতে অশিক্ষিত জানালে সে বাড়ির মাইকে ঘোষণা দেয় যাতে কেউ আমাদের সাথে কথা না বলে, এরপর তারা গত শুক্রবার পরিকল্পনা করে আমাকে এবং আমার ছেলেকে লাঠি সোটা রড ইট দিয়ে এলোপাতারি আঘাত করে, এ সময় তারা কাউকে যাতে অভিযোগ না করে আমাদের হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে।
তারা আমাদের উপর পর্যায়ক্রমে কয়েকবার হামলা চালায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একদিক এলাকা বাসী জানান- লোকমানের উপর হামলা এবং মাইধৈর হয়েছে কিন্তু কোন কারনে এবং কেন এই মারামারি তা আমি জানিনা।
লোকমানের ছেলে মারুফ হোসেন বলেন-আমার বিয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময় আমাদের কাছে চাঁদা দাবি করে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে শুক্রবার আমার বাবাকে একা পেয়ে এলোপাতাড়ি মাইরধৈর করে আহত করে ,খবর পেয়ে আমি বাবাকে উদ্ধার করতে গেলে আমাকেও মেরে আহত করে। এ বিষয়ে আমরা থানায় অভিযোগ করেছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত রাসেলকে ফোন করা হলে তিনি জানান-আমি এবং রুবেল আপনার সাথে সরাসরি দেখা করবো।
অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সাজ্জাদ হোসেন জানান অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা নিব।
এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মহিউদ্দিন ফারুক জানান-উক্ত বিষয়ে দুই পক্ষের বসার কথা, বিষয়টি জেনে আমি আপনাকে জানাবো।