আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল বাসারের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিগার সুলতানা জানান, সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গা দখল করে কিছু লোক স্থায়ী ইমারত নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। তাদেরকে বারবার বলা হলেও স্থাপনা সরিয়ে নেননি। তাই যানজট নিরসন ও জনসাধারণের চলাচলের জন্যে সরকারি সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে।
দুপুরের পর উপজেলার শাহরাস্তি গেইট দোয়াভাঙ্গা ও কালিয়াপাড়া এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ পরিচালিত হবে বলে সড়ক বিভাগ জানিয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৫ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।










