বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।

ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের পর প্রথমবার জনসমক্ষে এলেন খামেনি, ছিলেন বাঙ্কারে!

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের পর প্রথম প্রকাশ্যে এলেন আয়াতোল্লা আলি খামেনি। বহু দিন পর ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতাকে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায় তার অনুগামীদের।

শনিবার (৫ জুলাই) তেহরানের একটি প্রেক্ষাগৃহে শিয়াপন্থী ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের একটি বার্ষিক অনুষ্ঠানে চেনা পোশাক এবং চেনা মেজাজে দেখা যায় খামেনিকে। সেই ছবি সম্প্রচারিতও হয় ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমে।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ মে ইরান-ইসরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ার পর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি খামেনিকে। তবে একাধিক বার আগে থেকে রেকর্ড করা বার্তায় আমেরিকা এবং ইসরায়েলকে তোপ দেগেছেন তিনি। ১২ দিনের যুদ্ধ থামার পরেও দীর্ঘ সময় ধরে খামেনিকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তিনি কোথায় রয়েছেন, কী ভাবে রয়েছেন, তা নিয়ে একাধিক জল্পনা ছড়ায় ইরানে।

তবে খামেনির ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে জানা যায়, সম্ভাব্য হামলা থেকে রক্ষা পেতে গোপন স্থানে বাঙ্কারে আশ্রয় নিয়েছিলেন অশীতিপর এই ধর্মীয় নেতা। গোপন আস্তানার অবস্থান ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় বৈদ্যুতিন সরঞ্জামও ব্যবহার করছিলেন না তিনি।

শনিবার অবশ্য কোনও বিবৃতি বা ভাষণ দেননি খামেনি। ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমের তরফে প্রকাশিত ভিডিয়োয় দেখােগেছে, তাকে দেখেই মুষ্টিবদ্ধ হাত উপরে তুলে স্লোগান দিচ্ছেন কয়েক জন। কয়েক জন আবার একনাগাড়ে একটি স্লোগান আওড়ে যাচ্ছেন। যার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়, “আমাদের রক্তে বইছে নেতা (খামেনি)-র আদর্শ।

বস্তুত, খামেনির নির্দেশ ছাড়া ইরানে ধর্মীয় বা প্রশাসনিক, কোনও কাজই হয় না। সামরিক বিষয়েও তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন। তবে তার শাসনে ইরানে মৌলিক অধিকার, নারীদের স্বাধীনতার পরিসর ক্রমশ সঙ্কুচিত হচ্ছে বলে অভিযোগ মানবাধিকার সংগঠনগুলির। ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ অবশ্য ইরানে নতুন করে জাতীয়তাবাদ এবং দেশপ্রেমের ঢেউ তুলেছে। খামেনি প্রশাসনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামা বহু মানুষ বহির্শত্রু ইসরায়েলকে রুখতে ইরান সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টি বুঝেই হয়তো শনিবার ইরানের এক প্রবীণ ধর্মগুরুকে সে দেশের জাতীয় সঙ্গীত ‘ও ইরান’ গাওয়ার অনুরোধ করেন খামেনি। তাতে গলা মেলান অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে।

নিউজটি শেয়ার করুন

All rights reserved © meghnapost.com