বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১২ অপরাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।

মা-বাবাকে পা ধুইয়ে দিলো বলাখাল চন্দ্রবান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

 নুর মোহাম্মদ পাটোয়ারী …

ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের শুরু করলো বলাখাল চন্দ্রবান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম জাহাঙ্গীর আলম।

মা-বাবা পা ধুইয়ে দিল ২০ জন বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার সকালে হাজিগঞ্জ পৌরসভাধীন বলাখাল চন্দ্রবান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এমন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মা-বাবাসহ গুরুজনদের প্রতি শিক্ষার্থীদের শ্রদ্ধা বাড়ার পাশাপাশি আলোকিত জীবন গড়ে উঠবে বলে মনে করেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

চন্দ্রবান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, মা বাবাদের পা ধুয়ে- দিচ্ছে সন্তানরা। এমন ভক্তি দেখে মা-বাবার দু’চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়ে পানি। আর মা-বাবাকে জড়িয়ে আবেগাপ্লুত সন্তানও।

এ আয়োজনের মধ্যে দিয়ে মা-বা, শিক্ষক ও গুরুজনের প্রতি শ্রদ্ধা-ভক্তির প্রায়োগিক শিক্ষা গ্রহণ করতে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষার্থীরা গুরুজনের প্রতি শ্রদ্ধা, ভক্তি নিবেদনের শপথ গ্রহণ করে।

বৃহস্পতিবার সকালে চন্দ্রবান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ২০ শিক্ষার্থী মাঝে পিবিজিএসআই’র চেক বিতরণ অনুষ্ঠানের পূর্বে এই আয়োজন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন :বিদ্যালয়ের সভাপতি ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম জাহাঙ্গীর আলম,প্রধান শিক্ষক নয়ন চন্দ্র দাস, হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান মাহমুদ, এলাকার গণ্যমান্যদের মধ্যে সাহাব উদ্দিন শাহীন, বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য মো. সফিকুল ইসলাম মীর, শিক্ষকদের মধ্যে সিনিয়র শিক্ষক মো. জাকির হোসেন, অভিভাবক আফরোজা আক্তার ডেইজি ও ঝুমু রানী ধর প্রমুখ।

বিদ্যালয়ের সভাপতি ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম জাহাঙ্গীর আলম বলেন : ‘গুরুজনে কর নতি’ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক গুণাবলির বিকাশ ঘটবে। তারা সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন : শিক্ষার্থীদের নীতি-নৈতিকতা শেখাতে এমন আয়োজনের কথা চিন্তা করি। তারই ধারাবাহিকতায় ‘গুরুজনে কর নতি’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থীদের মাঝে নীতি-নৈতিকতা জাগ্রত করতে আগামীতেও এমন আয়োজনের কথা জানান তিনি।

অভিভাবক সদস্য মো. সফিকুল ইসলাম মীর বলেন : গুরুজনদের প্রতি সম্মান দেখাতে শিক্ষার্থীদের মাঝে নীতি-নৈতিকতা, গুরুজনদের প্রতি শ্রদ্ধা গড়ে উঠবে। সেই সঙ্গে এই ধরণের কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মনন ও মেধার উন্নতি হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

All rights reserved © meghnapost.com