হোসেন মুন্সীর স্ত্রী রাজিয়া বেগম জানান, রাত আড়াইটার দিকে আমি উঠে গরুর ঘরে এসে কয়েল জ্বালিয়ে খাবার দিয়ে গেছি। এর পরে ফজরের নামাজের জন্যে স্বামী ঘরের দরজা খুলতে গিয়ে দেখেন, বাইরে থেকে দরজার শিকল লাগানো রয়েছে। তৎক্ষণিক আমি জানালা খুলে দেখি গরু ঘরে গরু নেই।
হোসেন মুন্সী জানান, গত কোরবানী ঈদে বড়ো গরুটি দেড় লাখ, আর মিডিয়ামটি এক লাখ ২০ হাজার টাকা দাম উঠেছে, আমি বিকি করি নাই। আমার একটা থ্যালাসেমিয়ার দুই বছরের বাচ্ছা রয়েছে, তাকে তিন মাস পর পর রক্ত দেয়া লাগে। চিন্তা ছিলো, গরু বিক্রি করে বাচ্চাটিকে চিকিৎসা করাবো। এ কথা বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
হোসেন মুন্সীর ভাগিনা রিপন জানান, গরু ঘর স্থানান্তর নিয়ে গত সপ্তাহে বাড়ির পাশের ঘরের একজন হুমকি দিয়ে বলেছে, গরু কীভাবে পালবে সেটা দেখবো। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিবো, তখন পুলিশ তদন্ত করে সঠিকটা বের করবে।
ইউপি সদস্য মানিক জানান, আমি গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সাথে কথা বলেছি। পরিবারটির বড়ো ক্ষতি হয়ে গেলো।
ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিলন জানান, পরিবারটি আমাকে ঘটনাটি জানিয়েছে, তাদেরকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মহিউদ্দিন ফারুক জানান, খবর পেয়ে ক্ষতিগ্রস্তের বাড়িতে অফিসার পাঠানো হয়েছে।










