বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন
শাহরাস্তিতে বস্তাবন্দি শিশু তাসনূহার (৩) মরদেহ উদ্ধারের পর হত্যার বিষয়ে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী দিয়েছেন চাচি সাথী আক্তার। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫) শাহরাস্তি থানা পুলিশের কাছে হত্যার বিষয়ে সাথী আক্তার বলেন, বুধবার দুপুরে ভাতের মাড় ফেলতে গিয়ে শিশুটির গায়ে পড়ে। এ সময় শিশুটি চিৎকার করতে থাকলে এক পর্যায়ে তিনি শিশুটির গলা চেপে ধরেন। এরপর দেখেন শিশুটি মারা গেছে। নিজেকে রক্ষা করতে প্রথমে শিশুটির মরদেহ বস্তাবন্দি করে ঘরের সিলিংয়ের উপরে রেখে দেন। পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করলে তিনি বিচলিত হয়ে পড়েন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি বস্তাবন্দি শিশুটির মরদেহ পুকুরে ফেলে দেন।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার চিতোষী পূর্ব ইউনিয়নের পানচাইল গ্রামের পাটোয়ারী বাড়িতে বস্তাবন্দি শিশুর মরদেহ উদ্ধার করার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে কাজ শুরু করে শাহরাস্তি থানা পুলিশ। শিশুটির চাচা রিপন পাটোয়ারীর ঘরে রক্তের চিহ্ন দেখতে পেয়ে তাদের প্রতি পুলিশের সন্দেহ হয়। বৃহস্পতিবার রাতেই চাচা রিপন পাটোয়ারী ও চাচি সাথী আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের শেষে সাথী আক্তার হত্যার বিষয়ে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী দেন। পুলিশ সাথী আক্তারকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেছ এবং শিশুটির মরদেহ ময়না তদন্তের জন্যে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
শাহরাস্তি থানার ওসি আবুল বাসার জানান, সাথী আক্তারের নামে মামলা হয়েছে। আরো তদন্ত করা হবে। তিনি সবাইকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান।