বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৭ অপরাহ্ন
২য় পর্ব –
মো.মজিবুর রহমান রনি :
(তথ্য সূত্র -দৈনিক যুগান্তর ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ও ১০ অক্টোবর ২০২৪ এবং দৈনিক কুমিল্লার কাগজ ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪)
দেবীদ্বার পৌরসভায় নারী কেলেংকারী ও থানায় অভিযোগ :
২০২২ সালে জানুয়ারি /ফেব্রুয়ারিতে দেবীদ্বার থানায় পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির এক অভিযোগ উঠে। ঐ নারীকে চাকরি দেবার কথা বলে কুপ্রস্তাব সহ আরো নানন বিষয়ে অভিযোগ উঠে আসে ঐ অভিযোগে। পুলিশের সাথে লিয়াজু করে এবং দ্রুত পুলিশ কর্মকর্তা এস আই সোহেল রানাকে দিয়ে নিজের পক্ষে একটি তদন্ত প্রতিবেদন করিয়ে নেন।এবং চোরের মায়ের বড় গলার মতো পৌর কর্মচারীদের আদেশ দিয়ে নিজের পক্ষে অপপ্রচার দাবি করে তার প্রতিবাদ মানববন্ধন করান।
(সূত্র আজকের পত্রিকা ১৭ মে ২০২২ খ্রীঃ)
দীর্ঘ ২ মাস কচুয়া পৌরসভায় ছিলেন ২ জন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা। অনিয়ম ও দূর্নীতির কারনে দীর্ঘ দিন নিজ কর্মস্থল দেবীদ্বার পৌরসভায় অনুপস্থিত থেকে ২০২৪ সালের ৮ ই অক্টোবর মন্ত্রণালয়ে জোর তদবির করে নিজের বদলি অর্ডার করিয়ে কচুয়া পৌরসভায় চলে আসেন। এতটাই ধূর্ত ফখরুল ইসলাম বদলির অর্ডার মন্ত্রণালয়ের অয়েব সাইডে প্রকাশ না করিয়ে পৌরসভার মেইলে অদেশ কপি না পাঠিয়ে হাতে হাতে অর্ডার এনে কচুয়া পৌরসভায় যোগদান করেন।এ ক্ষেত্রে তাকে পূর্নাঙ্গ সহযোগিতা করুন তার পূর্বের সিন্ডিকেট সদস্য কর নির্ধারক মহসিন মিয়া এবং কর আদায়কারী শীতল চন্দ্র ভৌমক। যার কিছুই জানতনা তৎকালীন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম। ফখরুল ইসলাম নিজের বদলির আদেশ আনলেও তখনো অন্য কেথাও বদলি করা হয়নি জহিরুল ইসলামকে। এ সময় নির্বাহী কর্মকর্তা ফখরুল ইসলামের পরিকল্পনায় কর নির্ধারক মহসিন মিয়া ও কর আদায়কারী শীতল চন্দ্র ভৌমিকসহ আরো কয়েকজন মিলে মানুষিক নির্যাতন শুরু করে নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল ইসলামকে। পরবর্তীতে উপায় না পেয়ে জহিরুল ইসলাম বদলি আবেদন করলে তাকে প্রথমে সীতাকুণ্ড পৌরসভায় বদলি করা হয় কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারনে সেখানে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব নয় মর্মে আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের নভেম্বরের শেষের দিকে জহিরুল ইসলামকে রামগঞ্জ পৌরসভায় বদলি করা হয়। ৪ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে তিনি রামগঞ্জ পৌরসভায় যোগদান করেন। কচুয়া পৌরসভায় থাকা অবস্থায় ফখরুল ইসলাম ও তার সিন্ডিকেট সদস্যদের অত্যাচারে তার কক্ষে নিরবে কেঁদেছিল বহুদিন।
পৌরসভার অফিস কক্ষ এখন পৌর নির্বাহীর বাসস্থান এবং খাবার হোটেলঃ
২০২৪ সালের অক্টোবরে যোগদান করেই পৌরসভার নিচতলার একটি অফিস কক্ষকে নিজের বাসস্থান হিসেবে ব্যাবহার করা শুরু করেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে চলে যান নারায়নগঞ্জের বাড়িতে এবং ফিরেন রোববার দুপুরে। ডিউটি টাইম ছাড়া সার্বক্ষণিক থাকেন অফিস কক্ষ নিজের জন্য তৈরি বাস ভবনে। বাসস্থানে ভেতরে খাট, টিভি, রান্নার জন্য চুলা ও রয়েছে ওয়াশরুম। বর্তমানে দুপুর হলে খাবার হোটেল হিসেবে ব্যাবহার করা হয়। বেতনের বেসিকের সাথে বাড়ি ভাড়া পেলেও ভাড়া হিসেবে ১ টাকাও খরচ করতে হয়না ঐ কর্মকর্তাকে।
৩ টি বাড়ি ও ১ টি গাড়িঃ
নারায়নগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় রয়েছে ৪ তলার একটি ভবন।যার একটি ফ্লাটে থাকেন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা ফখরুল ইসলামের পরিবার। আর বাকী ফ্লাট গুলো দিয়েছেন ভাড়া। এছাড়া রয়েছে তার নিজের নামে ১ টি মাইক্রোবাস যার নং-ঢাকা মেট্রো ছ-১৫৭৮২০। নারায়ণগঞ্জ ছাড়াও রায়পুর লক্ষিপুর রয়েছে একাদিক বাড়ি।
চলবে