বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক ,কচুয়া :
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কাপিলাবাড়ি এলাকার মিয়াজী বাড়িতে পুত্রবধূকে ঘিরে পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধ চরমে উঠেছে। এ ঘটনায় মেয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এবং পাল্টাপাল্টি অভিযোগে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা চলছে।
অভিযোগকারী আছমা বেগমের দাবি, তার ভাইয়ের স্ত্রী তামান্নার সঙ্গে তার স্বামী ও পরিবারের অন্য এক সদস্যের অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করায় তার বাবা মমিন কারী তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আছমার অভিযোগ, ঘটনা আড়াল করতেই তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
আছমা বেগম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে আমার স্বামীর সঙ্গে আমার ভাইয়ের স্ত্রী তামান্নার অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। এ সংক্রান্ত একাধিক প্রমাণ আমার কাছে আছে। তামান্না আমার স্বামীকে বিভিন্ন আপত্তিকর ভিডিও পাঠাতেন।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার বাবা মমিন কারীর সঙ্গেও তামান্নার অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। তামান্নাকে তালাক দেওয়ার বিষয়ে তার ভাই উদ্যোগ নিলে বাবা তাকে ত্যাজ্য করার এবং সম্পত্তি তামান্নার নামে লিখে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন মমিন কারী। তিনি বলেন, “আমার ছেলের বউ তামান্নার সঙ্গে আমার মেয়ের জামাইয়ের পরকীয়া সম্পর্কের বিষয়টি পারিবারিকভাবে সমাধান করা হয়েছে। কিন্তু আমার সঙ্গে তামান্নার কোনো অনৈতিক সম্পর্ক নেই।”
তামান্নার স্বামী ওসমান গনি বলেন, “আমার স্ত্রী তামান্নার সঙ্গে আমার দুলাভাইয়ের পরকীয়া সম্পর্কের বিষয়টি সমাধান হয়েছে। এ বিষয়ে আমার স্ত্রী কোনো বক্তব্য দিতে চান না।”
এদিকে স্থানীয় কয়েকজন প্রতিবেশী দাবি করেন, তামান্নাকে ঘিরে এর আগেও একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় এক সালিশকারীর দাবি, তামান্নাকে নিয়ে একাধিকবার সালিশ হয়েছে। তার ভাষ্য, ওসমান গনি স্ত্রীকে ছেড়ে দিতে চাইলেও পারিবারিক চাপের কারণে বিষয়টি এগোয়নি। একইসঙ্গে মমিন কারী ছেলেকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার এবং সম্পত্তি তামান্নার নামে লিখে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
বিষয়টি নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।