বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন
জিটিবি নিউজ টুয়েন্টিফোর : জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন মোহাম্মদ নাঈম। হাফসেঞ্চুরি থেকে ব্যক্তিগত সংগ্রহ সেঞ্চুরির দিকেই যাচ্ছিলো। বল হাতে তখন এলেন শিভাম দুবে। নাঈমের সংগ্রহ তখন ৪৮ বলে ৮১ রান। তৃতীয় বল করলেন দুবে। সেটি এসে আঘাত হানলো স্ট্যাম্পে।
সাজঘরে ফিরতে হলো নাঈমকে। ১০ বাউন্ডারি ও দুটি ছক্কার অনবদ্য ৮১ রানের একটি ইনিংস খেলে বিদায় নিলেন এই ওপেনার। সাথেই হয়ত বিদায় নিল বাংলাদেশের জয়ের স্বপ্ন।
মাত্র ১২ রানে লিটন দাস ও সৌম্য সরকারের উইকেট হারিয়ে প্রাথমিক বিপর্যয়ে পড়ে যায় বাংলাদেশ। সেই অবস্থা থেকে দলকে টেনে তুলেন তরুণ ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ নাইম শেখ। তৃতীয় উইকেটে মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গে গড়েন ৯৮ রানের জুটি। তাদের জুটিতে জয়ের স্বপ্ন দেখতে থাকে বাংলাদেশ।
এরপর খেই হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। পরপর দুই বলে দুই উইকেট নেই। ২৯ বলে ২৭ রান করে দিপক চাহারের তৃতীয় শিকার মিঠুন। ব্যাটিংয়ে নেমে কিছু বুঝে ওঠার আগেই শিবম দুবের গতির বলে স্ট্যাম্প ভেঙে যায় মুশফিকুর রহিমের।
দিল্লিতে ৬০ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে জয় উপহার দেয়া মুশফিক আজ ফেরেন শূন্য রানে। তার বিদায়ে ১৩.১ ওভারে ১১০ রানে ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
ভারতের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে অসাধারণ ব্যাটিং করেন নাইম। ১৭৫ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর তাড়া করতে নেমে মাত্র ১২ রানে লিটন-সৌম্যর উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যাওয়া দলকে গর্ত থেকে টেনে তুলেন নাইম।
তৃতীয় উইকেটে মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গে অনবদ্য জুটি গড়েন। আর এই জুটিতেই ৩৪ বলে ৭টি চার ও একটি ছক্কায় ক্যারিয়ারের তৃতীয় ম্যাচে প্রথম ফিফটি করেন নাইম।
ভারতের মাঠেই চলতি সিরিজে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় মোহাম্মদ নাইম শেখের। তরুণ এ ওপেনার এশিয়ার অনতম্য সেরা দলের বিপক্ষে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন।
দিল্লিতে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক ম্যাচে ২৮ বলে ২৬ রান করে দলের জয়ের পথ সহজ করে দেন। রাজকোটে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে লিটন দাসের সঙ্গে উড়ন্ত সূচনা করেন।