বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবনে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত মোট ৩১ জন নিহত ও ১৬৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
নিহত ৩১ জনের মধ্যে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১০, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ , সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ১৬ , লুবনা জেনারেল হাসপাতালে ২ , উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে ১ ও ইউনাইটেড হাসপাতালে ১ জন রয়েছেন।
আইএসপিআরের তালিকা অনুযায়ী এ ঘটনায় মোট আহত হয়েছেন ১৬৫ জন। তাঁদের মধ্যে কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে ৮, বার্ন ইনস্টিটিউটে ৪৬ , ঢাকা মেডিকেলে ৩ , সিএমএইচে ২৮ , লুবনা জেনারেল হাসপাতালে ১৩ , উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে ৬০ , উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে ১ , শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ , ইউনাইটেড হাসপাতালে ২ এবং কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ৩ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের কলেজের শিক্ষক মাসুকা বেগমের মরদেহ নিয়ে যাচ্ছে স্বজনরা। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের কলেজের শিক্ষক মাসুকা বেগমের মরদেহ নিয়ে যাচ্ছে স্বজনরা। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটছবি: দীপু মালাকার
গতকাল সোমবার দুপুরে বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয়। বিমানবাহিনীর এফটি-৭ বিজিআই যুদ্ধবিমান স্কুলটির চত্বরের একটি দোতলা ভবনে বিধ্বস্ত হয়েছে। প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহৃত চীনের তৈরি এই যুদ্ধবিমান যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উত্তরার ওই স্কুল ভবনে আছড়ে পড়েছিল। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, বেলা ১টা ৬ মিনিটে রাজধানীর কুর্মিটোলার বিমানবাহিনী ঘাঁটি এ কে খন্দকার থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর বিমানটি স্কুল ভবনের ওপর এসে বিধ্বস্ত হয়। বেলা ১টা ১৮ মিনিটে এই খবর পায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স।
বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পরপরই আগুন ধরে যায় স্কুল ভবনে। তখন দগ্ধ শিশুদের আর্তনাদ, সন্তানের খোঁজে পাগলপ্রায় মা-বাবা ও স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে চারপাশ।
সোর্স : প্রথম আলো