বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন
ডেস্ক নিউজ :
বর্তমান এই এলাকার অন্যতম প্রধান ও আলোচিত সমস্যা মাদক বাণিজ্য|ঘনবসতি ও রেলওয়ের বিশাল এলাকা হওয়ায় মাদক বিক্রি ছিনতাই ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে ।
এই ধরনের ঘটনা প্রায়ই মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে আধিপত্য বিস্তার ও সেবনের স্থান দখল বা পারিবারিক ও সামাজিক বিরোধের জেরে মারামারির ঘটনা ঘটে থাকে|ঠিক তেমনি একজন নিরীহ ব্যক্তি কে মাদক দিয়ে প্রশাসনার হাতে তুলে দেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের ছাত্রলীগের কর্মী -শাহ আলম, শিমুল, ও পারভেজ বর্তমান সরকার পতনের পরে তারা দল পাল্টিয়ে বিএনপি কর্মী হিসাবে পরিচয় দেন|বর্তমান নিজেদের পিঠ বাঁচাতে অন্যদের বানিয়ে দিচ্ছে মাদক ব্যবসায়ী| অথচ ব্যবসায়ী ও মাদক মামলার আসামি আলমগীরের ছত্রছায়ায় আওয়ামী লীগের ছাত্রলীগের কর্মী শাহ আলম শিমুল ও পারভেজ|বর্তমান তাদের আদিপত্য চলে পাহাড়তলী এলাকায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে বানিয়ে দেয়া হয় মাদক ব্যবসায়ী।

ঠিক এমন একটি ঘটনা ঘটেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি অনলাইন পোর্টালে দেখা যায় মুন্নান নামের এক ব্যক্তিকে মারধর করে মাধক দিয়ে পাসানোর চেষ্টা করা হয়|সে নিজেই স্বীকারোক্তি দেন আমি মাদক ব্যবসায়ী নয় আমি মাদক বিক্রি করি না আমাকে জোর করে মাদক ব্যবসায়ী বানানো হচ্ছে|অথচ এ নিরীহ ব্যক্তিদেরকে সমাজের কাছে পরিবারের কাছে ছোট করার জন্য কিছু অসাধু সংবাদ কর্মীদের টাকার বিনিময়ে এনে সংবাদ প্রচার করেন| সম্প্রতি একটি অনলাইন পোটালে দেখা যয় জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি দিতে অথচ শাহ আলম,শিমুল পারভেজ এক সময় তারা ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুরুল হুদার কর্মী ছিলেন তাদের আধিপত্য চলতো পুরো এলাকা|কিছু স্থানীয়রা বলেন সে আদিত্যকে ধরে রাখতে মাদক ব্যবসায়ী আলমগীরের সাথে হাত মিলিয়ে মাদক ব্যবসা শুরু করেন পাহাড়তলী এলাকায়।
যুব সমাজটাকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে এ আওয়ামী লীগের ছাত্রলীগ কর্মী শাহ আলম, পারভেজ, শিমুল|সমাজের কিছু বিএনপির নামধারী কর্মী ও কিছু অসাধু পুলিশ প্রশাসন কে ম্যানেজ করে ছড়িয়ে দিচ্ছে গোটা এলাকায় মাদক|আর বানিয়ে দিচ্ছে নিরীহ কিছু মানুষদেরকে মাদক ব্যবসায়ী|মাদক নিয়ে মারামারি, সংঘর্ষ এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সামাজিক নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি|তাই অ স্থানীয়দের জোর দাবি এ ধরনের কুলাঙ্গার আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগের কর্মী দের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত শাস্তি দাবি করেন ।