বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।

হাজীগঞ্জে নাতিনকে ধর্ষণের চেষ্টায় বৃদ্ধ নানার বিরুদ্ধে মামলা !

নিজস্ব প্রতিনিধি:

হাজীগঞ্জের নাতিনকে ধর্ষণের চেষ্টায় বৃদ্ধ নানার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকা জুড়ে আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে।

গত ১১ জুন হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন ৯নং ওয়ার্ড কংগাইশ গ্রামে ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনায় সেলিনা আক্তার নুপুর বাদী হয়ে তার বাবা কামাল রাঢ়ীর বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ১০ জুন শুক্রবার সন্ধ্যায় আলীগঞ্জ কংগাইশ রাঢ়ী বাড়ির কামাল হোসেন রাঢ়ী তার মেয়ে সেলিনা আক্তার নুপুরের ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে নিজ বাসায় ধর্ষণের চেষ্টা করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

ওই সন্ধ্যায় নাতিনকে বাসায় একা ঘুমিয়ে দেখতে পেয়ে তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে কামাল রাঢ়ী। এতে শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নানা কামাল রাঢ়ী ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে পরণের জামা-কাপড় ছিঁড়ে ফেলাসহ গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন নাতিন।

ধর্ষণের চেষ্টা করার সময় নাতিন নিজের আত্ম রক্ষার জন্য নানাবে নাথি মেরে রুমে থেকে বের হয়ে যায়।
তবে এ ঘটনার কামাল হোসেন রাঢ়ী নিজেকে র্নিদোষ দাবী করে বলেন, মেয়ের সাথে সম্পত্তিগত বিরোধের জের ধরে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে নাতিনকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমাকে মারধর করে উল্টো মামলা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

কামাল হাজীর প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ে করে। প্রথম ঘরের ১ মেয়ে ও ২য় ঘরে ১ মেয়েকে তিনি হজ্বে যাওয়ার সময় প্রথম মেয়েকে ২.৫ শতাংশ সম্পত্তি দেয়।

২য় মেয়েকে ও ২.৫ শতাংশ সম্পত্তি দলিল করে দেয়। প্রথম ঘরের মেয়ে সেলিনা ওই সম্পতি বিক্রয় করতে গেলে কামাল হাজীা হজ্জ থেকে এসে বাঁধা দেয়।

এর জের ধরে সেলিনা বাবা কামাল হাজীর বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ তোলে আদালতে মামলা দায়ের করে।

ধর্ষণের চেষ্টায় মামলা হওয়ার দুইদিন পর কামাল হোসেন রাঢ়ী মেয়ে সেলিনা আক্তার নুপুরের বিরুদ্ধে নগদ টাকা চুরি’সহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।

ওই মামলায় সেলিনা আক্তারকে আটক করে পুলিশ আদালতে পাঠায়। আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান সেলিনা আক্তার।

সেলিনা আক্তার নুপুরের ভাষ্যমতে কামাল হোসেন রাঢ়ী এলাকায় একজন মহাজনী সুদের কারবারী। সুদের টাকায় মোহে আপন পর ভুলে যায়।আপন মেয়েকে বাড়ি থেকে তাড়াতে মামলা হামলা করে আসছেন। সম্পত্তির জন্য আপন ভাতিজীকে মামলা দিয়ে হয়রানি করে।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জোবায়ের সৈয়দ জানান, বিষয়টি আদালতে থেকে আমাদের কাছে তদন্তে এসেছে। গুরুত্বের সাথে মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

All rights reserved © meghnapost.com