বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
হাজীগঞ্জের ১১ হাটিলা পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ একেএম মজিবুর রহমানকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের আসল রহস্য বেরিয়ে আসলো। গত কয়েকদিন ধরে একটি চক্র মিথ্যা তথ্য দিয়ে হয়রানি করে আসছে।
সম্প্রতি ১১নং হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ একেএম মজিবুর রহমান এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক রাসেল পাটওয়ারীকে জড়িয়ে এক কিশোরীর তোলা অভিযোগের সত্যতা জানতে গিয়ে বেরিয়ে আসলো আসল রহস্য।
ওই কিশোরীর আনিত অভিযোগে ঘটনার দিন ও তারিখ গত ১ নভেম্বর দেখানো হলেও ঘটনার আগের দিন ও ঘটনার দিন ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ একেএম মজিবুর রহমান ইউনিয়ন পরিষদ তথা হাজীগঞ্জে ছিলেন না।
ইউপি চেয়ারম্যানকে জড়িয়ে মানহানিকর মিথ্যা তথ্য দিয়ে থানায় এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর দায়ের করা হয়। ওই অভিযোগে উল্লেখিত ঘটনার দিন বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত পাসপোর্টের ছবি ও ফিংগার দেওয়ার জন্য ঢাকার যাত্রাবাড়ি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ইকোরিয়া দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে উপস্থিত ছিলেন ১১নং হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ একেএম মজিবুর রহমান।
যার পাসপোর্ট ডেলিভারি’র অনলাইন রিসিট প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে।
এদিকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক রাসেল পাটওয়ারীকে জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য দেওয়া হলেও ঘটনার দিন তিনি ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত ছিলেন না। উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে সামনে রেখে দলীয় সাংগঠনিক কাজে ব্যস্ত ছিলেন। তিনি সেদিন সকাল ১০টা থেকে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে নিজের ব্যক্তিগত কাজে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক রাসেল পাটওয়ারী বলেন, যে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। তা উদ্দেশ্য প্রণোদিত, মিথ্যা এবং বানোয়াট। ঘটনার যে তারিখ ও সময় উল্লেখ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যাচার। আমি সেদিন উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে সকাল থেকে ব্যস্ত ছিলাম। এমন মিথ্যা বানোয়াট তথ্যে কান না দিতে সবাইকে অনুরোধ করছি।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ একেএম মজিবুর রহমান বলেন, হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়নের জনগন গুজব, মিথ্যাচারে কান দিবেন না। মিথ্যা কখনো চাপা থাকে না। সত্য একদিন বেরিয়ে আসবে। এ নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই। আমি অন্যায় করি না, এমনকি অন্যায়কে প্রশ্রয় ও দেই না।