বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩২ অপরাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।

বগুড়ায় রিক্সা চালকের সততা ও পুলিশের তৎপরতায় ২০ লাখ টাকা ফিরে পেল ব্যবসায়ী

বগুড়া সংবাদদাতা : সততার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন বগুড়ার রিক্সা চালক শহরের মালগ্রাম এলাকার লাল মিয়া। পুলিশের তৎপরতায় ও রিক্মা চালকের সততায় রিক্সায় ছেড়ে যাওয়া নন্দীগ্রামের সার ব্যবসায়ি রাজিব প্রসাদের ২০ লাখ টাকা ফিরে পেয়েছেন। রিক্সা চালক লাল মিয়া জানান, শুক্রবার সকালে শহরের জলেশ্বরীতলা থেকে ওই ব্যবসায়ী সাতমাথায় যাবার জন্য তার রিক্সা উটে। সুতরাপুর হয়ে ঘুরে তিনি সাতমাথায় এসে ভাড়াদিয়ে নেমেযায়। এরপর রিক্সানিয়ে যেতেই হঠাত একটি ব্যাগ পড়ার শব্দ পাই। রিক্সা থেমে নেমে ব্যাগটি খুলে দেখি অনেক টাকা। তকন ঘুরে আবার সাতমাতায় এসে ওই যাত্রীকে খুজতে থাকি। না পেয়ে ব্যাগনিয়ে বাড়িতে যাই। সেখানে ব্যাগটি রেখে খান্দার আসি ব্যাগ হারানোর জন্য কেউ মাইকিং করছেকিনা দেখার জন্য। ভেবেছিলাম কেউ হারানোর মাইকিং করলে প্রমান নিয়ে তাকে ব্যাগটি দিয়ে দিব। নাহলে ব্যাগটি থানায় দিয়ে দিব। টাকা হারানো বয়বসায়ী নন্দীগ্রাম রনবাঘা এলাকার সার ব্যবসায়ী প্রসাদ এন্ড সন্স এর রাজিব প্রসাদ জানান, ৩ টি ব্যাগনিয়ে বের হই। রিক্সাথেকে নেমে একটু পরে দেখি একটি ব্যাগ নেই। তখন সদর থানায় গিয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানাই। পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে টাকাটি উদ্ধারের তৎপরতা শুরু করে। যে কারনে কম সময়ের মধ্যেই আমি টাকাগুলি ফিরেপাই। এজন্য পুলিশের আন্তরিকতা ও ওই রিক্সা চালকের সততার বিষয়টি মনে রাখবার মত বলেন তিনি। পুলিশ জানায়, সকালে ওই ব্যবসায়ী থানায় এসে টাকাসহ ব্যাগ হারানোর কথা বলে। সঙ্গে সঙ্গে ওই রাস্তার সিসি ফুটেজ দেখা হয়। দেখে ওই রিক্সা চালককে সনাক্ত করে অন্য রিক্সা চালকদের থেকে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। এরপর তার সাথে যোগাযোগ করে তার বাড়িতে গিয়ে টাকাভর্তি ব্যাগটি উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়। পরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে রিক্সা চালক ও ব্যবসায়ীকে নিয়ে আসা হয়। সেখানে পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা টাকার মালিক সার ব্যবসায়ী রাজীব প্রসাদের হাতে টাকা বুঝে দেন। এসময় ব্যাবসায়ী রাজীব প্রসাদ রিক্সা চালকের সততায় মুগ্ম হয়ে একটি নতুন রিক্সা কেনার জন্য ৫০ হাজার টাকা দেন। পুলিশ নতুন রিক্সা কিনে রিক্সা চালককে দিবেন। পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা বলেন, রিক্সা চালকের মধ্যে কোন অসত চিন্তা ছিলোনা। তার মধ্যে সততা ছিলো।এছাড়া সদর থানা পুলিশ দ্রত এবিষয়ে পদক্ষেপ নিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

All rights reserved © meghnapost.com