লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী বিপুল, নয়ন, ফাইনুর, আল মামুন, মহিদুলের হামলায় একই এলাকার জামাত আলীর ছেলে সনি নিহত হয় এবং স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা মিজানকে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে। উক্ত হতাহতের ঘটনায় থানায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে হত্যা, বিস্ফোরক আইনে মামলা দায়ের করা হয়।
এ মামলার পর থেকেই সন্ত্রাসীরা মামলার বাদী ও সাক্ষীদের মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় মামলার স্বাক্ষী জাহেদুল, কুদ্দুস, মামুন দীর্ঘদিন যাবত সন্ত্রাসীদের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। সদ্য কারামুক্ত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিজান প্রায় ১০ দিন যাবত বাড়ি ছাড়া হয়ে আত্মগোপনে রয়েছে। ফলে মিজানের পরিবার অসহায় ও মানবেতর জীবনযাপন করছে।
এ ব্যাপারে সদর থানায় গত ২০ নভেম্বর সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। তিনি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নিহত সনির মা গোলাপী বেগম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিজানুর রহমান মিজান প্রমুখ।














