বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০২ পূর্বাহ্ন
শিবগঞ্জ (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শিবগঞ্জে কর্মহীনদের জন্য বরাদ্দ করা চাল নিয়ম বহির্ভূত ভাবে তার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে রাখায় উপজেলায় মাঝিহট্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বগুড়া জেল হাজুতে প্রেরণ। আটককৃত চেয়ারম্যান মির্জা গোলাম হাফিজ সোহাগ। তিনি উপজেলার মাঝিহট্ট ইউনিয়ন অবসর প্রাপ্ত সাব-রেজিষ্ট্রার এসকেন্দার আলী সাহানার ছেলে । এব্যাপারে চেয়ারম্যান মির্জা গোলাম হাফিজ সোহাগ বলেন, মঙ্গল ও বুধবার আমার পরিবারের পক্ষ থেকে আমার পিতা অবসর প্রাপ্ত সাব রেজিষ্ট্রার ইউনিয়ন ব্যাপী ২ হাজার অসহায় গরীব লোককে ১০ কেজি চাল ও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস বিতরণ করেছেন। ৩৩০ কেজি চাল আত্মসাৎ করার প্রশ্নই ওঠে না। ইউনিয়ন পরিষদে চাল বন্টনের সময় শত শত লোকের সমাগম ঘটে। বর্তমানে করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতির ভিত্তিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চাল বন্টনের জন্য ব্যবস্থা গ্রহন করেছি। যেহেতু এক জায়গায় থেকে চাল বন্টন করতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সমস্যা সৃষ্টি হয়। এ জন্য আমি আমার ব্যক্তিগত কার্যালয় থেকে উল্লেখিত চালগুলি বিতরণের উদ্যোগে রেখেছি এবং তা শুধু মাত্র কর্মহীন লোকদের জন্যই। কিন্তু আমাকে ফাসানোর জন্য একটি পক্ষ প্রশাসনকে ভুল বুঝিয়ে উল্লেখিত চাল সহ আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ এরজন্য থানায় নিয়ে আসে এবং পরবর্তীতে একটি গুজবের প্রেক্ষিতে আমার বাড়িতে আরো উদ্ধারের পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযান চালিয়ে সম্পূর্ণ বাড়ী তন্যতন্য করে খুজে সরকারি এক ছটাক চালও পায়নি। এটা একটি চক্রান্ত ছাড়া কিছুই না। এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ওই চেয়ারম্যানের বাড়ীর ব্যক্তিগত কার্যালয় থেকে বে-আইনী ভাবে রক্ষিত ৩শ ৩০ কেজি চাল সহ চেয়ারম্যান কে জিজ্ঞাসাবাদ এর জন্য থানায় আনা হয়। পরে আরো চাল আছে এমন তথ্যর ভিত্তিতে সহকারী পুলিশ সুপার শিবগঞ্জ সার্কেল কুদরত-ই-খোদা শুভ, শিবগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান ফোর্স সহ তার বাড়িতে অভিযান চালান। অভিযান চালিয়ে পুলিশ সরকারি চাল কোন চাল পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে ১৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বগুড়া জেল হাজুতে প্রেরণ করা হয়েছে।